Polly po-cket
2025-08-30 07:39

HomeAbout ulama ekraamBlogBook libraryAbout Me
(ABOUT MAULANA KARAMAT ALI)
Karamat Ali Jaunpuri a religious and a
social reformer. He was born in mulla
tola, Jaunpur, UP, India. His father Abu
Ibrahim SK Muhammad Imam Baksh, a
disciple of Shah Abdul Aziz Dehlavi, was
a scholar of Persian literature and was
well-versed in Hadith and other
branches of knowledge.
Karamat Ali was
the 35th descendant of Hazrat Abu Bakr
Siddique (R).
Karamat Ali's primary education started
under his father. He learnt theology
from Maulana Qudratullah Rudlavi and
Hadith literature from Ahmadullah
Allami.
He also learnt the art of reciting
the Quran at an early age.
At the age of
eighteen, Karamat Ali became eager to
develop spiritual knowledge and an urge
for self-purification made him restless.
He met Syed Ahmad at Rai Bareli and
got Bai'at in his hands (ie became his
disciple). Syed Ahmed Shahid asked him
to go to Bengal and preach Islam
through speeches and his pen.
Before coming to Bengal,
Karamat Ali
had established Madrasa-i-Hanafia at
Jaunpur. Soon this Madrasa became
famous as a centre of Islamic learning.
He was an ardent follower of original
Islamic norms, rites and rituals. But
Bengal Muslim society of the day was
full of innovations (Bid'at),
superstitions, and un-Islamic practices.
Many Muslims had given up obligatory
duties such as Saum (fasting of
Ramadan), Salat, Azan etc and had
instead started to practice Hindu rituals
and had joined Hindu religious festivals.
Shirk and Bid'at had engulfed Muslim
thought.
The Maulana strove to restore
pure Islamic values among Bengal
Muslims.
After finishing his primary mission in
Calcutta Karamat Ali reached Barisal
through Jessore and Khulna.
This was at
a time when haji shariatullah, Abdul
Jabbar and many other Faraizi leaders
were carrying on reform activities on
their own.
There was little difference of
policy or ideals between the reform
movement of Karamat Ali and those of
Haji Shariatullah, dudu miyan and Abdul
Jabbar.
But on the issue of British rule
in the country the two sides stood poles
apart. Haji Shariatullah opined that
British India was Dar-ul-Harb or abode
of war while Karamat Ali in support of
the English maintained that since the
British did not interfere with the
religious activities of the local people,
India could not be a Dar-ul-Harb. He
opined that though not a Dar-ul-Islam
India was at least a Dar-ul-Aman (abode
of security).
So Muslims could practise
religious activities in India without
hindrance.
On the issue of whether India was Dar-
ul-Harb or not, a Bahath (debate) was
held between Karamat Ali and the
Faraizis led by Abdul Jabbar. In the
debate Karamat Ali proved that India
was not a Dar-ul-Harb and as such the
two Eids and Jummah congregations
were obligatory for Muslims. Though
overpowered in the debate, the Faraizi
leaders harassed Karamat Ali in
different ways. Sometimes he was not
even allowed to stay in areas where he
had come to preach. He introduced the
ritual of five Azans in mosques.
Previously Azan was pronounced only
during night time. When Azan was
introduced in the daytime, people
considered it to be an innovation. After
much persuasion the Maulana was able
to convince them that it was compulsory
to proclaim Azan five times a day.
He
also started Jummah prayer in mosques.
At first his enemies opposed him in this
venture, but gradually people got
accustomed to it.
The movement started by Karamat Ali is
called Taiyuni Movement. It is derived
from the Arabic word 'Taiyun' meaning
'to identify'. Karamat Ali's activities
were two fold, firstly, he struggled to
eradicate Shirk and Bid'at from Muslim
society, and secondly, he brought back
many Muslims, who were misled by
superstitions, to the true path of Islam.
Karamat Ali visited Noakhali,
Chittagong, Assam, Rangpur and many
other interior areas. He fell seriously ill
while in Rangpur and on passed away
the 30 May 1873 while reciting the
Kalima.
He was buried in Rangpur.
Karamat Ali wrote about 46 books and
booklets.
His book Miftah-ul-Jannah has
gone through many reprints. It has been
acknowledged in the subcontinent as a
major book on Islam.
Maulana Karamat
Ali's books may be divided into 4
categories:
1. Compendium of religious
subjects;
2. Explanations of the Quran
and method of prayers and ablution;
3.
Discussion of spiritual and pir-murid
principles and
4. Criticism of the
theories of Haji Shariatullah and Dudu
Miyan.
Most of his books are in Urdu
though he wrote in Arabic and Persian
as well.
Some of his important books are
1.Miftah al-Jannah, 2. Baiat-i-Tawba, 3.
Shist al-Musalli, 4. Mukharib-al-Harurf,
5. Kaukab-i-Durri, 6. Tarjuma Shamail-i-
Tirmizi, 7. Tarjuma Mishqat, 8. Al-Qaul
al-Thabit, 9. Bai'at wa Tabua, 10. Qaul
al-Amin, 11. Murad al-Muridin, 12.
Farz-i-Aam, 13. Kitab al-Intiqamat, 14.
Nurun Ala Nur, 15, Jad al-Taqwa.16 rahat e rooh

প্রখ্যাত ধর্ম ও সমাজসংস্কারক
কেরামত আলী জৌনপুরী ভারতের উত্তর
প্রদেশের জৌনপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

তার পিতা আবু ইবরাহিম শেখ মুহম্মদ
ইমাম বখ্শ ছিলেন
ফারসি সাহিত্যে সুপণ্ডিত এবং হাদিস
ও জ্ঞানের অন্যান্য শাখায় পারদর্শী।

তিনি ছিলেন শাহ আবদুল আজিজ
দেহলভীর শিষ্য। কেরামত আলী ছিলেন
হজরত আবু বকর সিদ্দিক র:-এর অধস্তন
৩৫তম পুরুষ। ১৮ বছর বয়সেই কেরামত
আলী আধ্যাত্মিক
উৎকর্ষসাধনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

তিনি রায়বেরিলিতে সৈয়দ আহমদের
(শহীদ) কাছে বাইয়াত গ্রহণ করেন।
তিনি বাংলায় গিয়ে ইসলাম প্রচারের
নির্দেশ দেন।

কেরামত আলী জৌনপুরের মাদরাসা-ই-
হাসাফিয়া প্রতিষ্ঠা করেন। অচিরেই এ
মাদরাসা ইসলামি শিক্ষার কেন্দ্র
হিসেবে বিখ্যাত হয়ে ওঠে।

তিনি ছিলেন ইসলামের মৌলিক
আদর্শের অনুসারী। বাংলার
মুসলিমসমাজ অনৈসলামিক
কার্যকলাপে আচ্ছন্ন ছিল। বহু মুসলমান
রোজা, নামাজ ও আজানের মতো কর্তব্য
পরিহার করে বিজাতীয় আচার-অনুষ্ঠান
পালন করত এবং হিন্দুদের ধর্মীয়
অনুষ্ঠানে যোগ দিত। এ অবস্থায়
ইসলামের প্রকৃত মূল্যবোধ পুনরুদ্ধারের
কাজে মাওলানা নিজেকে নিয়োজিত
করেন। ধর্ম প্রচারের প্রাথমিক কাজ
কলকাতায় সম্পন্ন করে কেরামত
আলী যশোর ও খুলনা হয়ে বরিশাল
পৌঁছেন। এ সময় হাজী শরীয়তুল্লাহসহ
ফরায়েজি নেতৃবৃন্দ সংস্কারকার্যক্রম
এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

শরীয়তুল্লাহ
মনে করতেন, ব্রিটিশশাসিত ভারত
ছিল ‘দারুল-হারব’ বা শত্রু নিয়ন্ত্রিত
নিবাস। পক্ষান্তরে কেরামত
আলী যুক্তি দেখান, যেহেতু
ব্রিটিশরা স্থানীয় জনগণের
ধর্মকর্মে হস্তক্ষেপ করছে না, সেহেতু
ভারতবর্ষ দারুল ইসলাম
(ইসলামি রাষ্ট্র) না হলেও
নিদেনপক্ষে এটি দারুল আমান
(নিরাপদ আবাসস্থল)।

এ অবস্থায় দুই ঈদ
ও জুমার জামাত অনুষ্ঠান মুসলমানদের
জন্য বাধ্যতামূলক। তিনি মসজিদে পাঁচ
ওয়াক্ত আজানের প্রচলন করেন।


ইতঃপূর্বে আমাদের এ অঞ্চলে শুধু
রাত্রিকালে আজান দেয়া হতো। অনেক
সাধ্যসাধনার পর তিনি মানুষের
মনে বিশ্বাস জন্মাতে সক্ষম হন যে,
দিনে পাঁচবার আজান প্রচার
করা বাধ্যতামূলক।
তিনি মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ও
শুরু করান। ধীরে ধীরে জনগণ
এতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।


রংপুরে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন
এবং ১৮৭৩ সালের ৩০ মে পবিত্র
কলেমা উচ্চারণ করতে করতে শেষ
নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাকে রংপুর
শহরে দাফন করা হয়।

কেরামত আলী প্রায় ৪৬টি গ্রন্থ ও
পুস্তিকা রচনা করেন। তার গ্রন্থ
মিফতাহ-উল-জান্নাহর বহু সংস্করণ
প্রকাশিত হয়েছে। বইটি ইসলামের ওপর
প্রামাণ্য
গ্রন্থরূপে উপমহাদেশে স্বীকৃত। তার
বেশির ভাগ বই উর্দুতে লেখা। আরবি ও
ফারসিতেও লিখেছেন। তার
লেখা গুরুত্বপূর্ণ কিছু বই হলো মিফতাহ-
উল-জান্নাহ, বাইয়াত-ই-তওবা,
কাউকাব-ই-দুররি, তরজামা শামায়েল-
ই-তিরমিজী, তরজমা মিশকাত, আল-
ক্বাউল আল-ছাবিত, ক্বাউল আল-
আমিন, মুরদ আল-মুরিদিন, ফরজ্-ই-আযম,
কিতাব আল-ইনতিকামাত, নূরুন
আলা নূর, যাদ্ আল-তাক্বওয়া।


( পীরজাদা ফুজায়ল জৌনপুরী)

Comment Form is loading comments...
Contact Feedback

visitors counter
modify time
2015-01-17 17:551
Copyright © 2010 - 2015 Tasawwuf - The Islamic Science of
Spirituality (Sufism)